বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৩৭ অপরাহ্ন

পোশাক শ্রমিককে ধর্ষণ; আসামিদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বাদী

পোশাক শ্রমিককে ধর্ষণ; আসামিদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বাদী

সাভার প্রতিনিধিঃ সাভারের বিরুলিয়ায় ধর্ষণের শিকার এক পোশাক শ্রমিককে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে ওই মামলার আসামি স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের ইউনিয়ন পদের সভাপতি ও সাবেক মহিলা মেম্বারের পরিবার।

প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে- গত ৩০ অক্টোবর রাতে সাভার উপজেলার বিরুলিয়ার বগ্নিবাড়ি গ্রামে এক পোশাক শ্রমিক(২৬) মারধর ও ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হন। ওই দিন রাতে পোশাক শ্রমিকের ঘরে ঢুকে স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের ইউনিয়ন পদের সভাপতি ও সাবেক মহিলা মেম্বার শাহিদা বেগম এর ছেলে আসামি বকুলের (৪০) সহযোগিতায় বাবুল (৩৬) নামের আসামি নারী পোশাক শ্রমিককে মারধর ও ধর্ষণ চেষ্টার শিকার হন।

এ ঘটনায় পরদিন পোশাক শ্রমিক বাদী হয়ে ক্ষমতাসীন দলের ইউনিয়ন পদের সভাপতি ও সাবেক মহিলা মেম্বার শাহিদা বেগম এর ছেলে বকুল (৪০) ও সহযোগি বাবুল (৩৬) এর বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। বাবুল নামের একটি আসামি গ্রেফতার হলেও অদৃশ্য এক শক্তির জোরে আজও অপর আসামি বকুলকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।

পোশাক শ্রমিক বলেন, ‘বকুল আমাকে হুমকি দিয়ে বলেছেন, তোকে ধর্ষণ করে আমি জেলে যাব না। মামলা না ওঠালে (প্রত্যাহার না করলে) প্রাণনাশের হুমকি সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দিয়ে চলেছে।

পোশাক শ্রমিক আরও বলেন, ‘আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও এই দুই মাসে বেশি সময় পার হয়ে গেলেও বকুলকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।
উল্টো মামলা প্রত্যাহারের জন্য আমাকে চাপ দেওয়া হচ্ছে। আসামির অব্যাহত হুমকির মুখে আমি আত্মগোপনে আছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এসআই) অপূর্ব দত্ত বলেন, ‘আসামি পলাতক। তা ছাড়া একজন আসামি কে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে পরে তাঁকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আমি অভিযোগটি তদন্ত করে চার্জশিট আদালতে প্রেরণ করেছি বাকি বিষয়গুলো আদালতের নির্দেশেই হবে। আসামির পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে আমি অবহিত নই।’





পুরাতন নিউজ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©2019-2021 Daily Vorer Kantho. All rights reserved.