শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ১২:৫৬ অপরাহ্ন

অর্থাভাবে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন লিটন দাশ

অর্থাভাবে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন লিটন দাশ

সাদুল্লাপুর গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ কষ্টের সংসারের হাল ধরতে গাজীপুরে পাড়ি জমায় লিটন কুমার দাসে। সেখানে একটি কারখানায় কাজ নিয়ে স্বপ্নের সংসারের হাল ধরার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। ঠিক এসময় যেন স্বপ্ন হয়ে দাড়ায় দুঃস্বপ্ন। হঠাৎ পেটে ব্যথা অনুভূত হয়। ভর্তি হন গাজিপুরে পপুলার হাসপাতালে। সেখানে পরিক্ষা নিরীক্ষা শেষে জানা যায় তার লিভার ক্যান্সার। এ যেন স্বপ্ন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ। অর্থের অভাবে শেষ পর্যন্ত গত ২৩ জুন ফিরে আসেন বাড়ি। এর আগে ৮ জুন তার পেটে ব্যথা হলে হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ১২ জুন তার এই ব্যাধি ধরা পড়ে।

লিটন কুমার দাসের গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের পালোয়ান পাড়া গ্রামের শ্রী নিপেন চন্দ্র দাসের ছেলে। অভাব অনটনের সংসারে এমন ব্যাধি যেন মৃত্যু সমান যন্ত্রনা। তবুও আশায় বুক বেঁধে আছেন বাবা-মা ও ভাই-বোন। তবে চিকিৎসার টাকা যোগাড় করতে না পারার বেদনা যেন কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে অভাগা বাবাকে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাজীপুর থেকে ফিরে চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর ল্যাবএইড এ পরিক্ষা নিরীক্ষা করানো হয়। এ যাত্রায় একই ফলাফল। দুই পরই ধরা লিভার ক্যানসার হয়েছে বলে জানিয়ে দেন ডাক্তার। তবে এই ক্লিনিকে খরচ বেশি বলে আবার ভর্তি হন পুপুলার হাসপাতালে। এবারও সুখের খবর পাওয়া গেল না বরং ডাক্তার জানায় প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করতে অনেক টাকার দরকার। তারা যেন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা করান।

তবে পরিবারটির হাতে যে টাকা ছিল, পরিক্ষা আর বিভিন্ন হাসপাতালে যাতায়াত করতেই ফুরিয়ে যায়। এবার ইচ্ছা থাকলেও টাকা অভাবে লিটন ভর্তি হতে পারলেন না রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। নিরুপায় হয়ে এবার বাড়ি ফেরার পালা। এখন যেন নিশ্চিত তার সত্যিই ক্যান্সার হয়েছে। হাতে টাকা না থাকায় এবার গুনতে হবে মৃত্যুর প্রহর।

এব্যাপারে লিটন দাশ বলেন, আমি সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা চাই। কান্নাজড়িত কন্ঠে লিটন বলেন, আমি বাঁচতে চাই, সমাজের বিত্তবানরা, সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ যদি সহযোগিতা করেন তাহলে হয়তো আমি এই দুনিয়ার আলো আরও কিছুদিন দেখতে পারবো। টাকা অভাবে চিকিৎসাহীন আমি এখন বাড়িতে পড়ে আছি। সবার কাছে দয়া ও দোয়া চাই আমি।

বাবা নিপেন চন্দ্র বলেন, আমি এমনিই অনেক গরিব। এই রোগের চিকিৎসার খরচ যোগার করাটা আমার কাছে অসাধ্য। তবে বিত্তবানরা যদি সহযোগীতা করেন তাহলে হয়তো আমার সন্তান আর কয়টা দিন বাঁচতো। আমি সকলের পানে দুই হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। দয়া করে আমার ছেলের পাশে দাঁড়ালে আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকবো। লিটনের সাথে যোগাযোগ করা যাবে (০১৭৪০২৯৮১৭৭) এই নাম্বারে। এটিতে বিকাশ অ্যাকাউন্ট রয়েছে। চাইলে বিকাশেও সহযোগিতা পাঠাতে পারবেন।





পুরাতন নিউজ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©2019-2021 Daily Vorer Kantho. All rights reserved.