রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:৫৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাজারহাট উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির মানববন্ধন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ময়লা পরিষ্কার পবিপ্রবি রোভার এন্ড গার্ল-ইন রোভারের ইউনিফর্ম বিতরণ সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁর রাণীনগরে একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে লক্ষীকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাঘাইছড়িতে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উপলক্ষে রেলী ও আলোচনা সভা উদযাপন সোনারায় এর নৌকার মাঝি মজিদ মিরপুরে আওয়ামী লীগের দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ গোয়াইনঘাটে তৃতীয় ধাপে ৬ টি ইউনিয়নে ২৮ নভেম্বর ইউপি নির্বাচন আওয়ামীলীগের বিতর্কিত কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা, আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ
ইউএনওকে খুদে বার্তা দিয়ে বাল্যবিয়ে থেকে কিশোরীর রক্ষা

ইউএনওকে খুদে বার্তা দিয়ে বাল্যবিয়ে থেকে কিশোরীর রক্ষা

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

‘আমি দশম শ্রেণিতে পড়ি, আমি এখন বিয়ে করতে চাই না। আমার বাবা-মা আমাকে জোর করে বিয়ে দিবে আজ রাতে। আমি পড়াশোনা করতে চাই। আমার জীবনটাকে রক্ষা করুন। হাতজোড় করছি।

এমনটাই কড়োজোরে বলছিলেন নীলফামারী সদর উপজেলার হাবিবা আকতার নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। ওই ছাত্রীর সোমবার রাতে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। নিজেকে রক্ষা করতে দুপুরে নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন নাহারের মোবাইল নম্বরে এক খুদে বার্তা পাঠায় ওই কিশোরী। পরে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পায় ওই ছাত্রী।

উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের নিত্যানন্দি দোকানি পাড়ার সুলতান আলীর মেয়ে হাবিবা। সে রামগঞ্জ দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

সদর উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান শান্তনা চক্রবর্তী জানান, ইটাখোলা ইউনিয়নের এক ছেলের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।প্রথমে মেয়েটির খুদে বার্তা পেয়ে ইউএনও জানতে পেরে আমাকে জানান। পরে দুপুর ১২টার দিকে তারা দুজন সেখানে যান।

ইউএনও জেসমিন নাহার জানান, তার সরকারি মোবাইল নম্বরে ওই কিশোরী দুপুরের আগে একটি বার্তা পাঠায়। সেখানে নিজের পরিচয় দিয়ে সে লেখে, ‘আমি দশম শ্রেণিতে পড়ি, আমি এখন বিয়ে করতে চাই না।

‘আমার বাবা-মা আমাকে জোর করে বিয়ে দিবে আজ রাতে। আমি পড়াশোনা করতে চাই। আমার জীবনটাকে রক্ষা করুন। হাতজোড় করছি।

বার্তা পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যান জানিয়ে ইউএনও বলেন, ‘সেখানে গিয়ে মেয়েটির সঙ্গে এবং তার অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে বাল্যবিয়ের কুফল এবং শাস্তির বিষয়টি জানানো হয়। পরে অভিভাবকরা প্রাপ্তবয়স্ক না হলে বিয়ে দেবে না মর্মে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।’

এ ব্যাপারে নীলফামারী সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) এর সদস্য প্রফেসর সামসুজোহা বলেন করোনার থাবা শিক্ষার পাশাপাশি বাল্যবিবাহতে যেন জ্বালা আগুনে প্রেট্রোল ঢেলে দেওয়ার মত পরিস্থিতি তৈরি করেছে।করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্কুল কলেজ খুললে ও ছাত্র ছাত্রী পাওয়া যাবে কি না এই ব্যপারে সন্ধিহান আছি।

করণ এই মহামারীতেও যেপরিমান কিশোর, কিশোরীর বিয়ে শাদি হয়েছে তাতে নীলফামারীর শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারে তলানিতে পড়ে গেছে।

অভিভাবক গন সচেতন না হলে পরিস্থিতি সামাল দেয়া আরো বেগতিক হয়ে পড়বে।

 

জারমান আলি/রা.মি





পুরাতন নিউজ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©2019-2021 Daily Vorer Kantho. All rights reserved.