শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ১১:০৫ অপরাহ্ন

গোয়াইনঘাটে যেভাবে হাত কাটার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার

গোয়াইনঘাটে যেভাবে হাত কাটার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার

 

সিলেট সংবাদদাতাঃ

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার আলোচিত হাতকাটা মামলার প্রধান আসামি হুমায়ূন (৩৫) সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে গ্রেফতার হয়েছে। সে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার টেকনাগুল গ্রামের শাহ আলমের পুত্র।

বুধবার দিবাগত রাতে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের সহযোগিতায় গোয়াইনঘাট থানার ওসি (তদন্ত) দিলীপকান্ত নাথের নেতৃত্বে উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের কলাউড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের বা থেকে আসামি হুমায়ূন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তুমপুর গ্রামের মাশুক আহমদ একই গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে বেগম আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই তাদের কলহপ্রিয় দাম্পত্য জীবনে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। উভয় পরিবারে চলতে থাকে দ্বন্ধ আর অস্তিত্বের লড়াই। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (৯ জুলাই) বিকালে একইভাবে পরিবারিক দ্বন্ধের জেরে বেগম আক্তার তার পিত্রালয়ে চলে যান। তাৎক্ষণিক স্বামী মাশুক আহমদ স্ত্রী বেগম আক্তারকে বাড়ি ফিরিয়ে আনতে গেলে শ্বশুরালয়ের লোকজন তাকে বেদম মারপিট শুরু করেন। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান মাসুকের ছোট ভাই দিলদার। কোনোকিছু বুঝে উঠার আগেই তার উপরও চলে শারীরিক নির্যাতন। এক পর্যায়ে বেগম আক্তারের ভাই উত্তেজিত হুমায়ুন ধারালো রামদার কোপে দিলদারের ডান হাত দ্বিখণ্ডিত করে জঙ্গলে ফেলে দেন।

এ ঘটনায় রোববার (১০ জুলাই) গুরুতর আহত কলেজছাত্র দিলদারের মা হোসনেয়ারা বেগম বাদি হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা (নং-০৭) দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি টেকনাগুল গ্রামের শাহ আলমের ছেলে হুমায়ুন মিয়া (৩৫), বাদশা মিয়ার ছেলে জিয়াউর রহমান (৩০), মৃত রহমত আলীর ছেলে শাহ আলম (৫১) ও বাদশা মিয়া (৪৯), মাসুক মিয়ার স্ত্রী বেগম আক্তার (২৪), বাদশা মিয়ার ছেলে কালা মিয়া (২৬) ও মিলন মিয়া (২৩) এবং শাহ আলমের স্ত্রী শাকিলা বেগম।

গোয়াইনঘাট থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দিলীপ কান্ত নাথ আসামী গ্রেফতারের বিষয়ে বলেন,সিলেট জেলার মাননীয় পুলিশ সুপারসহ উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকতাদের সার্বিক সহযোগিতায় টানা তিন দিন তিনরাত একাধারে অভিযান পরিচালনা করে আসামিকে আটক করতে সক্ষম হয় গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ। উক্ত অভিযানে আন্তরিক ভাবে সহযোগিতার জন্য তিনি দোয়ারাবাজার থানা পুলিশকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানান।

গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ পরিমল চন্দ্র দেব আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় এবং নেতৃত্বে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সে বর্তমানে থানা হেফাজতে আছে, আগামীকাল তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

ই.না.তা





পুরাতন নিউজ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©2019-2021 Daily Vorer Kantho. All rights reserved.