রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:১৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাজারহাট উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির মানববন্ধন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ময়লা পরিষ্কার পবিপ্রবি রোভার এন্ড গার্ল-ইন রোভারের ইউনিফর্ম বিতরণ সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁর রাণীনগরে একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে লক্ষীকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাঘাইছড়িতে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উপলক্ষে রেলী ও আলোচনা সভা উদযাপন সোনারায় এর নৌকার মাঝি মজিদ মিরপুরে আওয়ামী লীগের দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ গোয়াইনঘাটে তৃতীয় ধাপে ৬ টি ইউনিয়নে ২৮ নভেম্বর ইউপি নির্বাচন আওয়ামীলীগের বিতর্কিত কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা, আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ
নওগাঁয় ভুয়া ডিসি পুলিশ সুপার পরিচয়দানকারী এক প্রতারক আটক

নওগাঁয় ভুয়া ডিসি পুলিশ সুপার পরিচয়দানকারী এক প্রতারক আটক

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁয় ভুয়া ডিসি, পুলিশ সুপার, ডাক্তার ও সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন পেশার পরিচয়দানকারী এক প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকৃতর নাম সাদ্দাম হোসেন। সে যশোর জেলার ঝিকরগাছা থানার আটুলিয়া গ্রামের কাওছার আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার ৩ আগষ্ট দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যাালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন-সাদ্দাম হোসেন বিভন্ন সুন্দরী মেয়েদের পটানোর কৌশল হিসাবে সে নিজের লাইফ স্টাইল চেঞ্জ করে। অনলাইন ম্যারেজ মিডিয়াগুলোতে কখনো আমেরিকা সিটিজেন, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী, ডিসি, পুলিশ সুপার, ডাক্তার সেনাবাহিনী ও বড় ব্যবসায়ী পরিচয়ে নিজেকে বড় ব্যাবসায়ী পরিচয়ে নিজেকে অবিবাহিত দেখে বিয়ের জন্য পাত্রী খোঁজার বিজ্ঞপ্তি দেয়। এরপর বিভিন্ন সুন্দরী মেয়ের সাথে চ্যাটিংএর শুরম্নতেই তাদের ছবি নেয়। তারপর প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিদেশ নেওয়ার কথা বলে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকার পাশাপাশি মেয়েদের কাছ থেকে ব্যাংক চেকও নিয়ে রাখে। পাশাপাশি সে মেয়েদের সাথে শারিরীক সম্পর্কের ভিডিও ধারন করে রাখে।

তিনি আরো বলেন, জেলার এক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের ছেলে মারা যাওযায় বিষন্নতায় ভুগছিলেন। এই সুযোগে সাদ্দাম ওই ভাইস চেয়ারম্যান সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলে। তাকে বিভিন্ন ভাবে সরকারের উচ্চ মহলের সাথে যোগোযোগ আছে বলে বিশ্বাস করায়। তারপর তার কাছ থেকে উপজেলা চেয়ারম্যানের টিকিক নিয়ে দেওয়ার কথা ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাইয়ে দেওয়া কথা বলে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকা নেওয়ার পর থেকে তার সাথে যোগায়োগ বন্ধ করে। সোমবার সে জানতে পারে সাদ্দাম তার স্ত্রীকে নিয়ে শহরের একটি আবাসিক হোটেলে তার অবস্থান করছে। সে বিষয়টি পুলিশকে জানালে স্ত্রীসহ তাকে আটক করা হয়।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, আটককের পর তার মোবাইল ফোন হতে দেখা যায় সে অবৈধ ভার্চুয়াল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সী ব্যাবসায়ীর সাথে জড়িত। তার বিরম্নদ্ধে সদর মডেল থানায় দুইটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং বিজ্ঞ আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে বলেও জানান পুলিশ সুপার।

এসময় অতিরিক্তি পুলিশ সুপার একেএম আল মামুন চিশতী ও গাজীউর রহমানসহ পুলিশের কতর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

আব্দুল মজিদ মল্লিক/রা.মি





পুরাতন নিউজ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©2019-2021 Daily Vorer Kantho. All rights reserved.