সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন

১৭ মাসের বেতন পরিশোধ করতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কতৃক শিক্ষার্থীদের নেটিশ

১৭ মাসের বেতন পরিশোধ করতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কতৃক শিক্ষার্থীদের নেটিশ

কন্ঠ ডেক্সঃ

করোনা মহামারীর কারনে গত বছর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শিক্ষা মন্ত্রনালয়। এরপর করোনার পরিস্থিতি ওঠানামা করার কারনে খুলবে খুলবে করেও ১৬ মাসে খোলেনি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনলাইনে পাঠদান চললেও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে কিছুই বোঝা যায় না। আবার অনেকে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারনে এখন পর্যন্ত দেখেনি অনলাইন পাঠদান।

এরই মধ্যে কয়েক দফায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নিয়েও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারেনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর নিয়মিত শ্রেণীকক্ষে পাঠদান। এরি মধ্যে শুরু হয়েছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর শিক্ষার্থীদের গত ১৭ মাসের বকেয়া বেতন একবারে পরিশোধ করার জন্য বিভিন্ন রকম নোটিশ দেওয়ার কাজ।

সম্প্রতি কয়েকটি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ ও ওয়েবসাইটে দেখা যায় এমন নোটিশ। সেখানে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থেকে সকল বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য কয়েক দফায় নোটিশ প্রদান করছে,বাড়িতে বাড়িতে অভিভাবকদের ফোন করে টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। আবার কখনো বিভিন্ন পরীক্ষার ওছিলায় প্রবেশপত্র গ্রহনের শর্ত হিসেবে বেতন পরিশোধ করতে বলা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে হিমশিম খাচ্ছে শিক্ষার্থীদের পরিবার। সংশয়ে ভুগছেন ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কলেজ শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, গত বছর থেকে লকডাউন সহ নানারকম সমস্যার মধ্যে দিয়ে মানুষ দিন পার করছে। অনেকের ৩ বেলা খাবারই জোটে না। তার মধ্যে যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সাথে সাথে বেতন পরিশোধের চাপ দেওয়া হয় তাহলে আর আমাদোর ছেলেমেয়েদের পড়ানো সম্ভব হবে না।

আরেক অভিভাবক বলেন, আমার মাসিক আয় ১০ হাজার, আর আমার ছেলের কলেজের ৪/৫ মাসের বেতন পরিক্ষার ফি, এসব দিয়েই ১০-১২ হাজার টাকা, তাহলে আমি সংসার চালাবো কি দিয়ে আর পড়াশোনা করাবো কি দিয়ে।

একজন শিক্ষক নাম গোপন রাখা শর্তে বলেন, অনেক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করোনা কালীন সময়ে শিক্ষকদের বেতন দেয়নি যদিও দেয় সামান্য। তা দিয়েও সংসার চালানো অসম্ভব। তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো একবারে শিক্ষার্থীদের বেতন পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছে কেন? এতে করে অনেক শিক্ষার্থী টাকা না দিতে পেরে এই পড়াশোনা থেকে সরে যাবে।

অভিভাবকদের দাবী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বকেয়া বেতন পরিশোধে নির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হোক।





পুরাতন নিউজ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©2019-2021 Daily Vorer Kantho. All rights reserved.