সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ১২:১২ পূর্বাহ্ন

অভিশপ্ত জীবন

                      লেখকঃ ডি, সি, মন্ডল

         পৃথিবীতে মানব জাতি বহু ত্যাগ ও বহু সংগ্রাম করিয়া বহু বহু সভ্যতাকে দ্বার করাইয়া রাখিয়া তাহা হইতে আরও অতি সুন্দর সভ্যতা গড়িয়া আকাশচুম্বী মনকার্ষন হরনে বিশেষ সুকৃত্য সম্পন্ন, ব্যাক্তিত্ব সম্পন্ন বিশ্বের মানব সভ্যতা বর্তমান প্রবাহিতমান হইতেছি। আজ আমরা তাহারাই অনূস্মৃত হইতেছি। যাহা আগেকার হাজার প্রাচীন শিলালিপি এবং নির্মানাধীন প্রস্তর খন্ডের নিদর্শন হইতে দেখিয়া লইয়াছি। উহা অস্বীকার করার কোন অবকাশ নাই। এমন কি কেহ মাথার দিব্যি দিয়া কিংবা তাহার জীবন বাজী করিয়া, পাতাল হইতে কোন জাগ্রত অভিনবত্ব দেখাইয়া কহিলেও প্রাচীন কাল হইতে মানব সভ্যতার যে ইতিহাস দ্বাড়াইয়া বহু কাল হইতে স্বাক্ষ্য দিয়া আসিতেছে তাহা কশ্মিন কালেও অস্বীকার করিতে পারিবেক নাহ।

           সুতরাং সেই মানব সভ্যতার ক্রম বিকাশের ফলন আজ যেখানে দ্বাড়াইয়া সেই হাজারো, হাজারো যুগের সভ্যতার উন্নতশীল অভিনত্বকে পূণরায় ধ্বংসের মূখে ঠেলিয়া দিয়া, গা-ভাসাইয়া দিয়া চলিল তাহা কেমন করিয়া ব্যাক্ত করিবো। ইহা বড়ই অন্যায় হইতে চলিবে ; তবু না বলিলে আপনাকেও ঐ কুপথ হইতে রেহাই করা অসম্ভব। তাই জীবনের ক্রান্তিলগ্নে না বুঝি কতখানি পাপ করিতে চলিয়াছি। পরম সত্য লাভ করিতে গিয়া আজ যেন পৃথিবীর বুক হইতে উহা বিদূরিত হইয়া পড়িতেছে।

               সভ্যতা বিকাশের আজ নব জোঁয়ার বসিল,

চারিদিকে হুড়, হুড় করে দখিনা বাতাস বহিতে শুরু করিল। বিশ্বের আকাশে বাতাসে নব সভ্যতার হুষ শীষ্ মারিয়া চলিয়াছে ; বসন্তের নব উৎভাসিত পল্ববের মত নব, নব, মুকুল অঙ্কুরিত হইতেছে। এমন কি বিশ্বে টনক নড়িয়াছে, সভ্যতার ক্রম বিকাশের অভিনবত্বের

অপরুপ শোভা বিস্তারের কত কি আয়োজনে সুগন্ধিতার কষ্ঠিধুপ জালিয়া দিয়াছে। যাহার সুঘ্রানে পরিব্রাত হইতেছে আদি যুগোপত্তি হইতে বর্তমান সভ্যতার বিকেন্দ্রী করন নব নবীনতার পথচলার অমেয় জাগরনের সুসষ্পস্ট পথচলা। যাহা প্রাপ্ত হইলে অধিক বি বলিবো স্বর্গ সুখের মহত্ব পরিচারিত হইবে বলিয়া ধারনা করা হইত।

           অথচ কালের সীমানায় আজ দ্বারিয়ে দেখা গেল যেন কিছুই হইয়া আবার কিছুই হইল না। যেন সেই আদিমতার করালগ্রাসে হাত, আর পা,’দু’খানি বাঁধিয়া রাখা হইয়াছে। কারন যে মানব সভ্যতাকে সুশীলতার দিকে টানিয়া আনা হইয়াছিল তা পূণরায় সেই আদিম যুগের বর্বরতা লইয়াই ; নেশা কারের মত দূর্দন্ত হইয়া, ঘুড়িয়ে – ফিরিয়ে একই খাদে গিয়া ঢল নামাইয়া দিয়া স্ব-স্থানে নিগড় হইয়া বসিল”” । ইহাতে কিঞ্চিত মাত্র দ্বিধা রহিল না, কারন ক্রমে যাহা বির্বতন হইল তাহা ক্রমে আবার সেস্থানে পতিত হইবে ‘ উহাতে কোন সন্দেহ নাই। স্বর্ণ পোড়াইয়া খাটি করিয়া অলঙ্কারাদি গড়ন হইয়া থাকে, ব্যবহার করিয়া আরাম আয়েশের কতেকটা মনতৃপ্তি পায়ও বটে; কিন্তু গহনা ভাঙ্গিলে আবার স্বর্ণ তেমন হইয়া থাকে। তেমনি কালক্রমে বহুযুগ বসে বালু’কণা আর পলিদ্বারা দ্বীপ জণ্ম লয়। যে পানির পলি ও বালু দ্বারা দ্বীপের সৃস্টি হয়, দেখাযায় উহা আবার কালক্রমে পানিতেই বিসর্জন লাভ করিয়া নিমজ্জিত হইয়া যায়।

          আমরা মানবগন যে মায়ের গর্ভ ধারন করিয়া মায়ের দুগ্ধে-পুষ্ঠতা লাভ করিয়া, বড় হইয়া, কত কিছু শিখিলাম, জানিলাম, দেখিতে সক্ষম হইলাম ;

তদুপরি মাকে তার জীবন লীলা সাঙ্গ হইবা মাত্র তাঁকে ভুলিয়া তার স্বর্গ বা বেহস্থ লাভার্থে কামনা করিয়া কোথায় কি সমাধিস্থ করিয়া রাখি তাহা বিশ্ব সভার সকল মানবগন অভিহীত রহিয়াছেন । এভাবেই পৃথিবীর কত মর্যদা সম্পন্ন, কত শত সহস্র সকল কিছুরই পরিসমাপ্তি ঘটিয়া থাকে। “””কারন সৃস্টির অপরুপ বলিতে কিছু নেই; যাহা দুই চক্ষুর গোচরীভূত দেখিতে পাই তাহাই সুচিত্রিত নব, নব, সৃস্টির অপরুপ বা স্বরুপ হইতেছে””।

            সেকাল হইতে- একালে বহু মনিঋষি, বহু জ্ঞানীগন অনেক, অনেক, সুকৃতির কৃপা বশে পার্শ্চত্যের দেশগুলি ভ্রমন কররিয়া যথেচ্ছা জ্ঞান লাভ করিয়া আসিয়াছেন। “তাই প্রবাদ আছে যে, জ্ঞান আহরনের নিমিত্ত সূদূর চীন দেশে যাও”। সুধু চীনদেশ কেন হইবে ; যতদূত্তর সম্ভব হইবে ততদূর যাওয়ায় যে

মানব জাতির অর্জিত জ্ঞান বিশেষে অভ্যূদয়।।





পুরাতন নিউজ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
©2019-2021 Daily Vorer Kantho. All rights reserved.