রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
রাজারহাট উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির মানববন্ধন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের ময়লা পরিষ্কার পবিপ্রবি রোভার এন্ড গার্ল-ইন রোভারের ইউনিফর্ম বিতরণ সভা অনুষ্ঠিত নওগাঁর রাণীনগরে একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে লক্ষীকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাঘাইছড়িতে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উপলক্ষে রেলী ও আলোচনা সভা উদযাপন সোনারায় এর নৌকার মাঝি মজিদ মিরপুরে আওয়ামী লীগের দুই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ গোয়াইনঘাটে তৃতীয় ধাপে ৬ টি ইউনিয়নে ২৮ নভেম্বর ইউপি নির্বাচন আওয়ামীলীগের বিতর্কিত কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা, আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ

এপাড়ে আর ওপাড়ে

বহুদিন পরে বহু আগের পুড়াতন ব্যাথা ,
মনে পড়ে যায় সেই পানগুছি নদীর কথা।

সাঁতাতে কাটেছি কত দুপুর বিকেল বেলা,
তখন খুব ছোট ছিল ওর বুকটা ;

তবুও আড় কাটিনি সাঁতাড়ে।

ডোঙ্গা নায়ে পাড় হয়ে মোরা
একসাথে গিয়েছিঁণু ওপাড়ে,

সেঁথা মিলে এপাড় আর ওপারে
মিতালী করেছি শত,

-কতই না আনন্দ সমীরনে।

বেলা অবসানে,
তবু মিলে মিশে, সাঁতার কেটেছি অভিরত,

কারো বাঁধা মানিনিকো মোরা,
যারা একসাথে খেলেছি কত খেলা অভিরত।

সাড়া বেলা মোদের কেটে যেত
কত যে নূতন স্বপ্ন দেখে,

হাসপাতালের ড্রেনের ফাঁদে থাকতো
কূঁনো ব্যাঙ্গ যত অগননে।

ঢাকনা সরিয়ে ধরিতে যেতাম
দেখে লক্ষ কূঁনো ব্যাঙ,

ওমন দৃশ্য দেখে হইতাম
মহা মিলনে মূহ্যমান।

খিল্ খিল্ করে হেসে দিত
অনেক খেলার সাথী,

কত যেন আনন্দ পেতাম
তাকি তোরা আজ জানিস?

তখনে সে পানগুছি নদীর বক্ষ
প্রসাড়িত ছিলো- কিছুটা অহঙ্কারে,

কড়াল গ্রাসে মাঝে গ্রাসিয়াছে কত শত-
বাবা মায়ের ভিটে মাটি হন্নতার সন্ধিক্ষণে।

তবু বিছু করার নাহি তাহা যে-
বিধাতার সবি কান্ড করি প্রচারি,

অদৃস্টে যে যার রয়েছে যেমন তার
তাইতো রবে ললাটে অবধারি!!

বড় রকমের বাজার বসিত
এই পানগুছি নদীর তীরে,

খাটো করে দিলো কড়াল হিংস্র স্রোতে
গঞ্জের বড় হাটখানি ধীরে, ধীরে।

বিশাল বড় একটি দিঘি ছিলো
মালখানা পুকুর নামে পরিচিতি,

লক্ষ মানুষের পিপাসা মিটাতো
অভয় বানী দিয়ে দিবানিশি।

হাড়িয়ে গেল কালের গর্ভে
আরও কত তার”ই জনপদ,

নব দিগন্তের সূর্য প্রাণেরা জানিতে পারিলনা
সে পুকুরের চারিধার ছিলো শত কির্তীমান।

সে সময়ে শুনা যেতো গঞ্জের বাঁকে,বাঁকে
রৈ, রৈ, শব্দ হতো বহু দূর হতে,

আজ যেন সে শব্দ হাড়িয়ে গিয়াছে
পানগুছি নদীর স্রোতে ভেঁসে।

কবু স্মৃতির নিরিখে মনে পড়ে যায়,
শৈশবের কত কথা,

মনে পড়ে যায় মিলন মেলায় –
তাঁকিয়া বাড়ীর মোয়া মুড়কির কথা।

খেজুড় গুড়ের মোয়া খেতাম
শীতের চাঁদর গায়ে জুড়ে,

বন্ধুরা ধরতো সবে হাতে জড়িয়ে
মোয়া মুড়ির সুগন্ধ পেয়ে।

আঁধো,অঁধো, চাঁদের জোৎস্না
ভেরের রাতে দেখা যেত,

ঘুমিয়ে রয়েছি সেদিন যেন খড় কুটোয়
গাঁধা রাখা মাটির খেলনার মত।

আজ কোথা, আর সেদিন কোথায়-?
কোথা হাড়িয়ে গেল সে দিন,

কাহার আশায় বসে আছি রে?

কে আসিবে, কে খুঁজে নিবে হেন
আজ যে মায়া ছিন্ন ভিন্ন দিন !!

আজও যেন সেদিনের প্রতিক্ষায়-
আছি ছোট্ট শিশুটির মতন করে,

ওরে মনে পড়ে যায় ওদিনের কথা
বেশী দিন তো- আর নয়’রে !!

ডি,সি, মন্ডল।
মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট।





পুরাতন নিউজ খুঁজুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
©2019-2021 Daily Vorer Kantho. All rights reserved.